Monday, June 8, 2020

আরো একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আরো একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: স্ট্রাটেজিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডকে লাইসেন্স দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশে ব্যবসার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি। নতুন এ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়ে সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ। এ নিয়ে দেশে ব্যাংকবর্হিভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) সংখ্যা দাঁড়াল ৩৫টিতে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ৪(১) নং ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ‘স্ট্রাটেজিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড’-কে বাংলাদেশে অর্থায়ন ব্যবসা পরিচালনার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।

করোনায় বেকার সাড়ে ৩ কোটি মানুষ, দাবি অর্থনীতি সমিতির


অর্থনীতি সমিতির ১৩ লাখ কোটি টাকার ...

স্টাফ রিপোর্টার: দেশব্যাপী মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২৬শে মার্চ থেকে দেশব্যাপী শুরু হয় অঘোষিত লকডাউন। এই লকডাউনের প্রথম ৬৬ দিনে (২৬ মার্চ - ৩ শে মে) ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এ সময় দেশে মোট ৬ কোটি ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। এতে দেশের জিডিপির ২ লাখ ৯৮ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি উত্তরণে আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতি। পাশাপাশি প্রায় ১৪ লাখ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করে সংগঠনটি। 

সোমবার ‘করোনার মহাবিপর্যয় থেকে মুক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ বিনির্মাণে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা’ শীর্ষক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি। সমিতির সহ-সভাপতি জেড এম সালেহর সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক জামালউদ্দিন আহমেদ।

Sunday, June 7, 2020

করোনা পরবর্তী অর্থনীতি ও স্বাস্থ্য খাতে একটা মৌলিক পরিবর্তন আসবে

।।কে এ এস মুরশিদ।।
কে এ এস মুরশিদ, মহাপরিচালক, বিআইডিএস।

বিনিয়োগের জন্য একটা পরিবেশ লাগে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেখানে আগেই নানা সমস্যা ছিল। এখন যে পরিস্থিতি, তাতে আগামী এক বছর বা তার কিছু বেশি সময় নতুন বিনিয়োগ খুব বেশি হবে বলে আমার মনে হয় না। তবে নতুন নতুন কিছু সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হবে। সেখানে বিনিয়োগ হবে। যেমন স্বাস্থ্য খাত। এ খাতে একটা মৌলিক পরিবর্তন আসবে বলে আমার মনে হয়। আমরা বিদেশে চিকিৎসা নিতে অনেক অর্থ ব্যয় করি। এ ব্যবসাটা দেশে ফিরিয়ে আনতে পারলে খুব ভালো হবে। সার্বিকভাবে আমার মনে হয় ‘নিউ নরমাল’ (নতুন স্বাভাবিক) পরিস্থিতি না এলে বিনিয়োগের ধারা স্বাভাবিক হবে না। এ ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ যেগুলো আসবে, তা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। যারা এ ক্ষেত্রে ভালো করবে, নতুন প্রযুক্তি ও ব্যবসা কৌশল প্রয়োগ করবে, তারাই এগিয়ে যাবে। কেউ যদি মনে করে, সবকিছু সাধারণভাবেই আগের ধারায় ফিরে যাবে, আমার ধারণা সে চিন্তা ভুল।